ঢাকা, ২৫ জুলাই: সিগারেটের বড় দুই প্রতিষ্ঠান বৃটিশ অ্যামেরিকান টোবাকো ও ঢাকা টোবাকোর বিরুদ্ধে আদালতে ঝুলছে ভ্যাট ফাঁকির ৫২টি মামলা। এসব মামলায় জড়িত রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৩শ কোটি টাকা। কর্মকর্তাদের বদলিসহ নানা কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর কমকর্তারা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার প্রভাব পড়ছে রাজস্ব আদায়ে।
ভ্যাট আদায়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস সিগারেট খাত। বৃহৎ করদাতা ইউনিট এলটিইউর আওতায় আছে বড় দুই প্রতিষ্ঠান বৃটিশ অ্যামেরিকান টোবাকো ও ঢাকা টোবাকো। বিদায়ী অর্থবছরে এ দুই কোম্পানি থেকে ভ্যাট আদায় হয় ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি। যা আগের অর্থবছর থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।
আদায় বেশি হলেও ফাঁকির অভিযোগ কম নয় সিগারেট কোম্পানিরগুলোর বিরুদ্ধে। বৃটিশ অ্যামেরিকান টোবাকোর বিরুদ্ধে চলমান ৩২টি মামলা। আর জড়িত রাজস্বের পরিমাণ আড়াই হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে পরবর্তী ৪ বছরে কমদামে ভাল মানের সিগারেট বিক্রীর অভিযোগ দুটি মামলা হয়। একটি ১ হাজার ২শত ২৪ ও অন্যটি ৭শ কোটি টাকার।
ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে ঢাকা টোবাকোর বিরুদ্ধে চলছে ২০ মামলা। এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ প্রায় সাড়ে সাতশ কোটি টাকা। এর মধ্যে দ্বৈত ভ্যাট চালান ব্যবহার করে ৫৩৬ কোটি টাকা ফাঁকির মামলা হয় ২০০৯ সালে।
ফাঁকি বন্ধ ও রাজস্ব আয় বাড়াতে চলতি বছর এই দুই প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শন, অডিট রিপোর্ট যাচাইসহ নানা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রাজস্ব বোর্ড।